বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

আস্থার মর্যাদা রেখে সাধ্যমতো কাজ করব বললেন প্রহ্লাদ

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬
আস্থার মর্যাদা রেখে সাধ্যমতো কাজ করব বললেন প্রহ্লাদ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশজুড়ে চলা তীব্র ছাত্র আন্দোলনের জেরে শেষপর্যন্ত নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু গ্রহণ করার পর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুপারিশে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা বর্তমান ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে। টালামাটাল এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার মতো গুরুভার কাঁধে ওঠার পর শনিবার রাতে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন নয়া শিক্ষামন্ত্রী।নতুন দায়িত্ব পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রহ্লাদ জোশী। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর যে গভীর আস্থা রেখেছেন, তার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। আমি অত্যন্ত বিনম্রতা ও কর্তব্যের বোধ নিয়ে এই দায়িত্ব গ্রহণ করছি। নিজের সাধ্যমতো এবং সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রকের কাজ পরিচালনা করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে।” 

বিবৃতি দেওয়ার সময় বিতর্কিত ও সদ্য প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা করতেও ভোলেননি তিনি। জোশীর কথায়, “গত চার-পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) কার্যকর করার কাজ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।”দীর্ঘদিন ধরে নিট (NEET) সহ একাধিক জাতীয় স্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে দেশজুড়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ চলছিল। রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন লাগাতার আন্দোলন চালাচ্ছিল। এই আন্দোলনের চাপেই অবশেষে প্রধানের এই প্রস্থান।
বর্তমানে উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের মতো বড় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কর্নাটকের ধারওয়াড় থেকে পাঁচবার নির্বাচিত এই সাংসদ। রাজনৈতিক মহলের মতে, মোদী-শাহের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ এই নেতাকে এই কঠিন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রকের ব্যাটন দেওয়ার মূল কারণই হলো দেশের যুবসমাজের ক্ষোভ প্রশমন করা এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার ওপর পড়ুয়াদের হৃত আস্থা ফিরিয়ে আনা। ছাত্র সংগঠনগুলিও ইতিমধ্যেই নয়া মন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যুবসমাজ তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের দিকে কড়া নজর রাখছে।