বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

প্রৌঢ়াকে ধর্ষণ, পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা

প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬
প্রৌঢ়াকে ধর্ষণ, পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: মেয়ের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ঘুরে ফেরার পথে এক প্রৌঢ়াকে অজ্ঞান করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ এবং পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল বেলিয়াবেড়ায়। জ্বলন্ত অবস্থাতেই কোনও রকমে জঙ্গল থেকে পালিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বেলিয়াবেড়া থানার পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই প্রৌঢ়াকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলিয়াবেড়া থানার একটি গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই প্রৌঢ়া জীবিকার তাগিদে ওড়িশার একটি বাড়িতে রাঁধুনির কাজ করেন। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এক ছেলে ভিন্‌রাজ্যে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অপর ছেলেটি পার্শ্ববর্তী জেলার একটি হোমে থাকে। মেয়ের বিয়ে হয়েছে মায়ের নিজের গ্রামেই। কাজের সূত্রে বছরের বেশির ভাগ সময় ওড়িশায় কাটালেও মাঝেমধ্যেই তিনি নিজের গ্রামে আসেন। ঘটনার দিন তিনি ওড়িশা থেকে ফিরে মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। সেখান থেকে নিজের বাড়ি ঘুরে ফের মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথেই নির্জন রাস্তায় এই জঘন্যতম অপরাধের শিকার হন তিনি।
জানা গিয়েছে, ফাঁকা রাস্তায় একা পেয়ে প্রৌঢ়াকে প্রথমে সংজ্ঞাহীন করে দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে পাশের একটি গভীর জঙ্গলে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশবিক অত্যাচার ও ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। প্রমাণ লোপাট করতে এরপর তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে জ্বলন্ত অবস্থাতেই অমানুষিক যন্ত্রণার মধ্যে জঙ্গল থেকে পালিয়ে সোজা থানার দরজায় পৌঁছন ওই নির্যাতিতা। তাঁর এই অবস্থা দেখে চমকে যান কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা।
মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে রাতেই বেলিয়াবেড়া থানার পুলিশ ফোর্স তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে প্রৌঢ়ার শরীরের সিংহভাগ মারাত্মকভাবে পুড়ে গিয়েছে। তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে কড়া নজরদারিতে রেখেছেন। এই বর্বরোচিত ঘটনার জেরে গোটা এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীর ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।