বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

রাজ্যে শুরু হচ্ছে জনগণনা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

প্রকাশিত: ২৯ মে, ২০২৬
রাজ্যে শুরু হচ্ছে জনগণনা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হতে চলেছে জনগণনা বা সেন্সাসের কাজ। শুক্রবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, এই জনগণনা প্রক্রিয়া আগামী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত দেশজুড়ে ও রাজ্যজুড়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।

সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "জনগণনার কাজে ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। সেই তুলনায় আমাদের পশ্চিমবঙ্গ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।" রাজ্যের এই খামতি দূর করে উন্নয়নকে সঠিক দিশা দিতেই যে এই সেন্সাস প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে শুরু করা হচ্ছে, সেই ইঙ্গিতও দেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত স্তরের নাগরিক, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের এই জাতীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার এবং সহযোগিতা করার আন্তরিক আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর মতে, একটি রাজ্যের সঠিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, সরকারি সুযোগ-সুবিধার বণ্টন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে সঠিক ও নির্ভুল জনগণনা অত্যন্ত জরুরি। নবান্ন সূত্রের খবর, এই বিশাল প্রক্রিয়াটি যাতে কোনো রকম বাধা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য ব্লক ও জেলা স্তরে বিশেষ টাস্ক ফোর্স এবং ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রস্তুত করা হচ্ছে। 
১ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত চলবে ‘সেলফ এনুমারেশন’ পর্ব। অর্থাৎ নাগরিকরা নিজেরাই অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য জমা দিতে পারবেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য চালু করা হচ্ছে হেল্পলাইন নম্বর ১৮৫৫ এবং একটি ল্যান্ডলাইন নম্বর: ০৩৩-২৩৩৫৯৫০৩। পাশাপাশি চালু করা হবে সরকারি ওয়েবসাইটও। 
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের মতে, এই সেন্সাসের মাধ্যমে রাজ্যের জনসংখ্যা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার একটি বাস্তব চিত্র সামনে আসবে। এর ফলে পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলির জন্য বিশেষ অনুদান ও উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা সরকারের পক্ষে অনেক সহজ হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি নাগরিকের সঠিক তথ্য নথিভুক্ত করাই এখন রাজ্য প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আরও খবর