বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

ভুয়ো হিজড়েদের দাপট, জীবিকা ও জীবন বাঁচাতে নবান্নে চিঠি ‘আসল’দের

প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬
ভুয়ো হিজড়েদের দাপট, জীবিকা ও জীবন বাঁচাতে নবান্নে চিঠি ‘আসল’দের
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: আড়ালে রাজনৈতিক দাপট আর সামনে রূপটান। ‘ভুয়ো’ তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের এই রমরমায় এবার চরম অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছেন আসানসোল-দুর্গাপুর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ‘আসল’ তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিরা। অভিযোগ, বহিরাগত পুরুষদের শাড়ি-চুড়ি পরিয়ে নকল হিজড়ে সাজিয়ে কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি চলছে। আর এর প্রতিবাদ করলেই জুটছে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণে মারার হুমকি। নিজেদের রোজগার এবং জীবন বাঁচাতে শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির দফতর (নবান্ন)-সহ প্রশাসনের একাধিক উচ্চপর্যায়ে লিখিত অভিযোগ পাঠালেন প্রান্তিক এই সমাজের প্রতিনিধিরা।

প্রশাসনকে পাঠানো চিঠিতে পাণ্ডবেশ্বরের মোনা দাস, দুর্গাপুরের রিয়া দত্ত, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বাবলি পোদ্দার কিংবা মুর্শিদাবাদের রহিম শেখদের মতো তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিরা এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডালের রয়্যালটি মোড়কে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ভুয়ো তৃতীয় লিঙ্গের এক মস্ত সিন্ডিকেট। এই চক্রের মূল চালিকাশক্তিরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের তৃতীয় লিঙ্গের দাবি করছে। অথচ, এদের আধার কার্ড বা অন্য সরকারি পরিচয়পত্রের বৈধতা নিয়ে তীব্র সংশয় রয়েছে।
অভিযোগকারী রিয়ার কথায়, “আমাদের কাছে নিশ্চিত খবর আছে, বিহার এমনকি ভিনদেশ থেকেও পুরুষদের মোটা টাকার লোভে এখানে নিয়ে আসা হচ্ছে। তারপর তাদের সাজিয়ে হিজড়েদের দলে ঢোকানো হচ্ছে। আমাদের কষ্টার্জিত রোজগারের একটা বড় অংশ ওই সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। টাকা না দিলেই চলছে অকথ্য অত্যাচার।” চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, অন্ডাল থেকে যে মূল পান্ডা গোটা সিন্ডিকেটটি চালায় এবং তাঁদের ওপর খবরদারি করে, তার নিজের আধার কার্ডেই স্পষ্ট ‘পুরুষ’ পরিচয় লেখা রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, এই ভুয়ো দলের সদস্যরা বিভিন্ন জাতীয় সড়কে এবং লোকালয়ে অভব্য আচরণ ও নানা অসামাজিক কাজকর্ম চালাচ্ছে। যার ফলে গোটা সমাজ কালিমালিপ্ত হচ্ছে এবং আসল তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিরা সমাজকল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আরও খবর