বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে তিন লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে তিন লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, রামপুরহাট: মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে তিন লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগে বিহারের এক যুবককে গ্রেফতার করল মল্লারপুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম মার্ডি যাদব (Mardi Yadav)। বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলার কোঢ়া থানার জুরাবগঞ্জে। পুলিশ সূত্রে খবর, চুরি-কাণ্ডের তদন্তে নেমে কোঢ়া-ভিত্তিক একটি সম্ভাব্য অপরাধী চক্রের যোগসূত্রের হদিস মেলে। সেই সূত্রেই নজরদারি চালিয়ে রেলস্টেশন এলাকা থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৯ আগস্ট মল্লারপুরের এসবিআই ব্যাঙ্কের কাছে সেবিকা স্টোরের সামনে মোটরসাইকেল রেখেছিলেন হাসতিকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সজল কুমার মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, ওই দিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে নগদ তিন লক্ষ টাকা চুরি হয়ে যায়। ঘটনার পর ২২ আগস্ট মল্লারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তার ভিত্তিতে ২৬৪/২৬ নম্বর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মামলাটি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৩(২) ধারায় রুজু হয়েছে।

তদন্তকারী আধিকারিক PSI অরিন্দম দান তদন্তে নেমে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। মল্লারপুর থানার পুলিশকর্মীদের একটি দল সন্দেহভাজনদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে শুরু করে। পরে বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পিত অভিযান চালিয়ে রেলস্টেশন এলাকা থেকে মার্ডি যাদবকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধৃতের সঙ্গে কোঢ়া-ভিত্তিক একটি সম্ভাব্য অপরাধী নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের তথ্য মিলেছে। তবে ওই চুরি-কাণ্ডে তাঁর সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতের আগের গতিবিধি, সম্ভাব্য সহযোগীদের পরিচয় এবং আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

পুলিশের দাবি, অনুরূপ অপরাধ সংঘটিত করার পূর্বেই সন্দেহভাজনের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পেয়ে নজরদারি শুরু করা হয়েছিল। এরপর পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের মতে, এর ফলে সম্ভাব্য আরও একটি অনুরূপ অপরাধ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

চুরি যাওয়া তিন লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে কি না, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ওই টাকা উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য অপরাধচক্রের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।