হট টপিক
কাঁকসায় ২ তৃণমূল নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভ
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: রবিবার দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে কাঁকসা থানার সামনে বিক্ষোভে দেখালেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের অভিযোগ, বেলডাঙা এলাকার তৃণমূল নেতা সন্দীপ কর্মকার এবং প্রদীপ কর্মকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, মারধোর করেছে। এবার বিধানসভা ভোটের ফল বেরোনের পর দুই নেতাই বেপাত্তা ছিলেন। কিছুদিন আগে ফিরে এসে এলাকায় ফের সন্ত্রাসের রাজত্ব শুরু করতে চাইছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালাবদলের আগে বেলডাঙা এলাকায় সন্দীপ ও প্রদীপের ‘অনুমতি’ ছাড়া কিছু করা যেত না। জমির দালালি থেকে শুরু করে আর্থিক তছরূপ সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে বারবার। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, অভিযোগ উঠলেও কোন লাভ হয়নি। উল্টে দল প্রত্যক্ষ ভাবে মদত দিয়েছে। বিজেপি করার ‘অপরাধে’ গ্রামের অনেককেই ঘর ছাড়া করেছিলেন ওই দুই নেতা। সম্প্রতি এক বিজেপি কর্মীকে ফোন করে মিথ্যা কথা বলে ডেকে পাঠানো হয়। বিজেপির দাবি, সেখানে তাঁকে মারধরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ওই বিজেপি কর্মীর পাশে দাঁড়ান দলের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ দুই ভাইকে মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় কাঁকসা থানার পুলিশ। দু’জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এই ঘটনার পর বিজেপি কর্মীরা দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভকারী বিজেপি নেতা শুভ দাস বলেন, সন্দীপ হুমকি দিচ্ছিল। অনেক লোক ওর কাছে টাকা পায়। তোলাবাজি করত। গরীব মানুষরা টাকা চাইতে এলে হুমকি দিয়েছে। সন্দীপের বিরুদ্ধে এর আগেও কাঁকসা থানায় একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা চাই আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এই বিষয়ে সন্দীপে ও প্রদীপের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা যায়নি। তবে তৃণমূল নেতা নবকুমার সামন্ত বলেন, বিজেপি প্রথমে মারধর করে পরে তৃণমূল কর্মীদের শাস্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করছে। প্রমান ছাড়াই বিজেপি এই কাজ করছে।

