বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

কর্মী সংকটে ধুঁকছে ঐতিহাসিক নবদ্বীপ মহাশ্মশান

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬
কর্মী সংকটে ধুঁকছে ঐতিহাসিক নবদ্বীপ মহাশ্মশান
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, নবদ্বীপ: দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পরিকাঠামো ও কর্মী সংকটে ভুগছে ঐতিহাসিক নবদ্বীপ মহাশ্মশান। সমাধানের পথ খুঁজতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা পুর প্রশাসনের। মূলত প্রয়োজনীয় কর্মীর অভাবেই মৃতদেহ দাহ করা থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিষেবা পরিচালনায় প্রতিদিন নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে।

এই মহাশ্মশানঘাটে মৃতদেহ দাহ করার জন্য তিনটি বৈদ্যুতিক চুল্লি থাকলেও, বর্তমানে কর্মী অভাবে মাত্র দু’টি চালু রয়েছে। এছাড়া কাঠে দাহ করার ৬টি চুল্লির পাশাপাশি এখানে রয়েছে সমাধিস্থ করার ব্যবস্থাও। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষ ঠাণ্ডা ঘর রয়েছে, যেখানে একই সঙ্গে চারটি দেহ রাখা যায়। কিন্তু এই বিপুল কর্মযজ্ঞ সামলানোর জন্য কর্মীর সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। শ্মশানে কোনও স্থায়ী চুল্লি অপারেটর নেই। ডোম ও অন্যান্য সহায়ক কর্মীর সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
শ্মশান কর্মীদের দাবি, স্বাভাবিক পরিষেবা বজায় রাখতে যেখানে কমপক্ষে ২৪ জন কর্মী থাকার কথা, সেখানে বর্তমানে মাত্র ১৮ জন দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ১৮ জনের মধ্যে মাত্র একজন স্থায়ী কর্মী, বাকি ১৭ জনই চুক্তিভিত্তিক বা অস্থায়ী। ফলে প্রতিদিনের কাজ চালাতে কর্মীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপ তৈরি হচ্ছে। কোনও একজন কর্মী অনুপস্থিত থাকলেই গোটা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। দ্রুত স্থায়ী কর্মী নিয়োগ না হলে ভবিষ্যতে পরিষেবা পুরোপুরি স্তব্ধ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
এরই পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে শ্মশানের প্রশাসনিক ব্যবস্থাও। শ্মশানের অফিসঘরে একটি সাধারণ জেরক্স মেশিন পর্যন্ত নেই। এর ফলে চরম সমস্যায় পড়ছেন শবদেহের সঙ্গে আসা শোকাতুর আত্মীয়-পরিজনরা। দাহকাজের আইনি প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডেথ সার্টিফিকেট ও আধার কার্ডের প্রতিলিপি (জেরক্স) করাতে তাঁদের মাঝরাতেও শ্মশানের বাইরে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে। পুরসভা দ্রুত এই বিষয়ে নজর না দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করবে।

আরও জেলা খবর