বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জীবনযাপন

অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেশার, সাবধান হোন কিডনি নিয়ে

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট, ২০২৬
অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেশার, সাবধান হোন কিডনি নিয়ে
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনির জটিলতা একে অপরের পরিপূরক, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি ‘দুষ্ট চক্র’ বা সাইকেল হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেশার থাকলে তা কিডনির ফিল্টার বা নেফ্রন নষ্ট করে দেয়, আবার কিডনি বিকল হতে শুরু করলে রক্তচাপ আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। এই পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে প্রেশারজনিত কিডনির অসুখকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।

১. বিনাইন নেফ্রোস্ক্লেরোসিস (Benign Nephrosclerosis) - এটি মৃদু বা মাঝারি ধরনের দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তচাপের কারণে ঘটে। এর অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর গতিতে হয়। বছরের পর বছর প্রেশার নিয়ন্ত্রণে না রাখলে কিডনির রক্তনালীগুলি আস্তে আস্তে শক্ত ও সরু হতে থাকে (ফাইব্রোসিস)। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে এই রোগের গতি অনেকটাই মন্থর বা স্তব্ধ করে দেওয়া সম্ভব। 
২. ম্যালিগনেন্ট নেফ্রোস্ক্লেরোসিস (Malignant Nephrosclerosis) - এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি অবস্থা, যা ‘ম্যালিগনেন্ট হাইপারটেনশন’-এর সাথে যুক্ত। এতে আচমকা রক্তচাপ অত্যন্ত বেশি (সাধারণত ডায়াস্টোলিক প্রেশার ১৩০ বা তার বেশি) হয়ে যায়। তীব্র প্রেশারের চোটে কিডনির ভেতরের সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলি ফেটে যায় বা দ্রুত বুজে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। এর ফলে খুব কম সময়ের মধ্যে কিডনি সম্পূর্ণ বিকল (Acute Kidney Failure) হয়ে যেতে পারে। তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, বমি বমি ভাব, বুকে ব্যথা এবং হঠাৎ প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি এবং অবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়।
শুধু ওষুধ খেলেই হবে না। তার সঙ্গে এক্সারসাইজ করাও দরকার। প্রয়োজন জাঙ্কফুড, মাত্রাতিরিক্ত তৈলাক্ত খাদ্যগ্রহণ ত্যাগ করা। এছাড়া কিডনি ডিজিজ শুরু হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খেতে হবে খাবার।

আরও জীবনযাপনের খবর