বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জীবনযাপন

সামনেই পুজো, ভুঁড়ি কমাতে এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সামনেই পুজো, ভুঁড়ি কমাতে এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সামনেই পুজো। কিন্তু পছন্দের পোশাক পরতে বাধা দিচ্ছে মেদ। কারও মেদ জমছে পুরো পেট জুড়ে, কারও আবার শুধুই পেটের উপরের অংশে। ফলে পোশাকের সঙ্গে ভুঁড়ি বড়ই বেমানান। এই ভুঁড়িটি হতে পারে বিপদের কারণও। আর তা নিয়েই সতর্ক করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ।

কেন মেদ হয়? শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রমের অভাব মেদ জমার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ভুঁড়ি ও মেদ শুধু শারীরিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, ফ্যাটি লিভার এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক ক্রনিক সমস্যার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই সুস্থ থাকতে এবং অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ও খাদ্যাভ্যাসে কিছু জরুরি বদল আনা অত্যন্ত আবশ্যক।
মেদ ও ভুঁড়ি কমানোর জন্য চিপস বা বার্গারের মতো খালি ক্যালোরিযুক্ত (Empty Calories) খাবারের বদলে পাতে রাখুন শাকসবজি, ফল, ওটস এবং ডাল। এগুলি শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, মুরগির মাংস, পনির বা টোফুর মতো চর্বিহীন প্রোটিন রাখুন। প্রোটিন বিপাক হার (Metabolism) বাড়াতে এবং মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।
কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয়, কোল্ড ড্রিঙ্কস, প্যাকেটজাত ফলের রস এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। মিষ্টির পরিবর্তে প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি ফল খাওয়া যেতে পারে। তবে শুধু ডায়েট করলেই মেদ কমে না। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা দরকার। 
এর সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ দরকার। দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কম ঘুম এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীরে কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা পেটে মেদ জমায়। দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার জল পান করুন। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিতে এবং হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদ মনে করাচ্ছেন, পেটের চর্বি কমাতে গেলে খাওয়া ছাড়লে চলবে না। খেতে হবে পরিমিত এবং সচেতন ভাবে।

আরও জীবনযাপনের খবর