বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

পদ ছাড়লেও পাশেই আছেন ‘বন্ধু’ শুভেন্দু, রবিবারে নন্দীগ্রামে মেগা সভার জোর প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬
পদ ছাড়লেও পাশেই আছেন ‘বন্ধু’ শুভেন্দু, রবিবারে নন্দীগ্রামে মেগা সভার জোর প্রস্তুতি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের আলোচনার কেন্দ্রে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, প্রথমবার নন্দীগ্রামে মেগা জনসভা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী রবিবার এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে জোড়া আসন থেকে জয়ের পর নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিলেও, এই মাটির সঙ্গে তাঁর আত্মিক টান যে বিন্দুমাত্র কমেনি, রবিবারের এই সভা তার প্রমাণ। হাইভোল্টেজ এই সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা ও প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

এবার বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং কলকাতার ভবানীপুর — উভয় আসন থেকেই বিপুল ভোটে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী। তবে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে ১৪ দিনের মধ্যে যে কোনো একটি আসন ধরে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। সেই নিয়ম মেনে তিনি নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বোসের কাছে নন্দীগ্রাম আসন থেকে ইস্তফাপত্র জমা দেন এবং ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই পথ চলা শুরু করেন।
খাতায়-কলমে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়লেও এখানকার মানুষের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের আন্দোলন এবং সেখানকার সাধারণ মানুষের লড়াই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ভিত্তিভূমি। তাই পদ না থাকলেও একজন বিশ্বস্ত ‘বন্ধু’ এবং ‘স্বজন’ হিসেবে তিনি আজীবন নন্দীগ্রামের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন। আগামী পাঁচ বছর এই এলাকার উন্নয়নে কোনো খামতি থাকবে না বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
রবিবারের এই জনসভাকে শুভেন্দু অধিকারীর সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল। বিধায়ক পদ ছাড়ার পর এটিই হবে নন্দীগ্রামের মাটিতে তাঁর প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। স্বভাবতই মুখ্যমন্ত্রীর এই সভাকে সফল করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা। সভার মাঠ তৈরি করা, মঞ্চ বাঁধা এবং প্রচারের কাজে কোনো খামতি রাখা হচ্ছে না।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই সভার মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী যেমন নন্দীগ্রামের মানুষের মনে নিজের জায়গা ধরে রাখতে চান, তেমনই আসন্ন উপনির্বাচনের আগে বিরোধী শিবিরকে কড়া বার্তা দিতে চান। সব মিলিয়ে, রবিবার নন্দীগ্রামের এই সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে এলাকার বাসিন্দারা।

আরও হট টপিক