বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

জাল জাতি শংসাপত্র দিয়ে স্ত্রীকে পঞ্চায়েত প্রধান করার অপরাধে বনগাঁয় সস্ত্রীক গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা

প্রকাশিত: ৩০ মে, ২০২৬
জাল জাতি শংসাপত্র দিয়ে স্ত্রীকে পঞ্চায়েত প্রধান করার অপরাধে বনগাঁয় সস্ত্রীক গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় জাল জাতি শংসাপত্র তৈরির অভিযোগে সস্ত্রীক গ্রেপ্তার হলেন এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা। ধৃত নেতার নাম প্রসেনজিৎ ঘোষ এবং তাঁর স্ত্রী উমা ঘোষ। প্রসেনজিৎবাবু নিজে পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী উমা ঘোষ এই জাল শংসাপত্রের জোরেই পঞ্চায়েত প্রধানের চেয়ারে বসেছিলেন। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এই প্রথম কোনো শাসক দলের প্রভাবশালী নেতা সস্ত্রীক এভাবে গ্রেপ্তার হলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা বনগাঁ তথা রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২২ সালে। সেই সময় উমা ঘোষসহ এলাকার মোট পাঁচজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, তাঁরা প্রত্যেকেই ভুয়ো তপশিলি জাতি (SC) শংসাপত্র তৈরি করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। শুধু নির্বাচনে লড়াই নয়, সংরক্ষিত আসনের সুবিধা নিয়ে উমা ঘোষ পঞ্চায়েতের প্রধানের পদও দখল করেন। সাধারণ মানুষ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে এই নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই এই নিয়ে এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছিল।তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এবং সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই জাল জাতি শংসাপত্রগুলি তৈরি করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত এবং উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে পাওয়ার পর অবশেষে পুলিশ প্রসেনজিৎ ঘোষ ও উমা ঘোষকে গ্রেপ্তার করে। একজন দায়িত্বশীল পদে থাকা নেতা কীভাবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে ভুয়ো শংসাপত্র পাইয়ে দিলেন, তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।
এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে বনগাঁয় জোরদার রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তৃণমূল দলের আরও অনেক নেতা এভাবে ভুয়ো নথির সাহায্যে ক্ষমতা দখল করে আছেন। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে আরও অনেক বড় নাম সামনে আসবে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন সবার জন্য সমান এবং অপরাধ প্রমাণ হলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। আপাতত ধৃত দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের পেছনে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

আরও হট টপিক