বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

‘ব্যবসা করতে হলে চাকরি ছাড়ুন’, চিকিৎসকদের কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬
‘ব্যবসা করতে হলে চাকরি ছাড়ুন’, চিকিৎসকদের কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের নতুন খাদ্য সরবরাহ ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে একের পর এক কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিচ্ছেন অশোক কীর্তনিয়া। এবার তাঁর নজরে এলো উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালের বেহাল পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবা। বনগাঁয় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে হাসপাতালের চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়নের বড় আশ্বাস দিলেন নতুন মন্ত্রী।

সরকারি হাসপাতালগুলির অন্যতম বড় সমস্যা হলো সামান্য কারণে রোগীদের অন্য হাসপাতালে ‘রেফার’ বা স্থানান্তরিত করে দেওয়া। বনগাঁ হাসপাতালের এই পুরোনো ‘রেফার রোগ’ চিরতরে সারাতে এবার কড়া অবস্থান নিয়েছেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অশোক কীর্তনিয়া বলেন, আমি হাসপাতালের সুপারকে পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছি যে, বনগাঁর মানুষকে বনগাঁতেই চিকিৎসা করাতে হবে। চিকিৎসার জন্য তাঁদের যেন আর কলকাতা বা অন্য কোথাও ছুটে যেতে না হয়। হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে তিনি আশ্বাস দেন যে, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার আধুনিক সরঞ্জামের অভাব মেটাতে এবং পরিকাঠামো বৃদ্ধির জন্য যা যা আর্থিক বা প্রশাসনিক সাহায্য লাগবে, তা তিনি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা করবেন।
এদিনের অনুষ্ঠান থেকে সরকারি চিকিৎসকদের একাংশের কর্মপদ্ধতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সমবায় মন্ত্রী। হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বা অপারেশন না করে রোগীদের প্রাইভেট নার্সিংহোমে পাঠানোর প্রবণতার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তিনি। চিকিৎসকদের কড়া বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের হাসপাতালেই অপারেশন করতে হবে। সরকারি বেতন নিয়ে যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসা করতেই হয়, তাহলে আগে সরকারি চাকরিটা ছেড়ে দিন। 
মন্ত্রীর এই চাঁছাছোলা হুঁশিয়ারিতে স্বভাবতই হাসপাতাল চত্বরে এবং চিকিৎসকদের অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খাদ্য ও সমবায় দপ্তরের পাশাপাশি নিজের এলাকার মানুষের মৌলিক প্রয়োজন অর্থাৎ স্বাস্থ্য পরিষেবার দিকেও যে তিনি সমান নজর রাখছেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অশোক কীর্তনিয়া। সাধারণ গরিব মানুষ যাতে সরকারি হাসপাতালে এসে সমস্ত রকম ওষুধ এবং উন্নত চিকিৎসা পান, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। মন্ত্রীর এই কড়া মনোভাবের পর বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশের প্রাইভেট প্র্যাকটিস এবং রোগীদের রেফার করার অভ্যাসে কতটা রাশ টানা যায়, এখন সেটাই দেখার। তবে এবিষয়ে হাসপাতাল সুপার ডাঃ কৃষ্ণচন্দ্র বড়াই বলেন, হাসপাতালের পরিষেবার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী পরিকাঠামো উন্নয়নে কী কী প্রয়োজন, তা জানতে চেয়েছেন। পরিকাঠামো উন্নয়নে কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের কথা আমরা দ্রুত মন্ত্রীকে জানাব।