রাজ্য
রাজ্যে হাজার পেরোল ‘জন ঔষধি কেন্দ্র’
প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের ঘরে ঘরে সাধারণ মানুষের কাছে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করল রাজ্য। রাজ্যজুড়ে বর্তমানে সক্রিয় এবং পুরোদমে চালু রয়েছে এক হাজারেরও বেশি ‘প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র’। এই কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নামী ব্র্যান্ডের ওষুধের তুলনায় প্রায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ কম দামে উন্নত মানের জেনেরিক ওষুধ কিনতে পারছেন। রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সাম্প্রতিক একটি জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন বিজেপির আইটি সেলের কেন্দ্রীয় প্রধান অমিত মালব্য।
রাজ্যসভায় পেশ করা কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্টের সূত্র উল্লেখ করে অমিত মালব্য জানান, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মোট ১,০১৪টি ‘জন ঔষধি কেন্দ্র’ চালু রয়েছে। এই তালিকায় জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে সবচেয়ে বেশি ২০৩টি কেন্দ্র রয়েছে। এর পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী কলকাতা, যেখানে সস্তায় ওষুধ বিক্রির এই ধরনের ১৬২টি কেন্দ্র সচল। এ ছাড়া রাজ্যের অন্য দুই গুরুত্বপূর্ণ জেলা হুগলি এবং হাওড়ার প্রতিটিতেই সমান সংখ্যক, অর্থাৎ ১০৯টি করে ‘জন ঔষধি কেন্দ্র’ সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দিচ্ছে।
বিজেপি নেতা তাঁর বার্তায় আরও স্পষ্ট করেছেন যে, সস্তায় ওষুধ দেওয়ার এই সরকারি উদ্যোগ এখানেই থমকে থাকছে না। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং বিশেষ করে চিকিৎসাধীন রোগীদের ঘরের দৌড়গোড়ায় এই পরিষেবা পৌঁছে দিতে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও ৪৬৯টি নতুন ‘জন ঔষধি কেন্দ্র’ খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চিকিৎসাকে বিলাসিতা নয়, বরং নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে সুনিশ্চিত করতেই এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এই কেন্দ্রগুলির প্রসারের ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির মাসিক ওষুধের খরচ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

