বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

পুজোয় আমিষ খাওয়া বিতর্কে মুখ খুললেন ‘বাগেশ্বর বাবা’

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পুজোয় আমিষ খাওয়া বিতর্কে মুখ খুললেন ‘বাগেশ্বর বাবা’
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুর্গাপুজোর সময়ে যাঁরা আমিষ খাবার খান, তাঁরা আসলে ‘পাখণ্ডী’ অর্থাৎ ভেকধারী— দিন কয়েক আগে রাজ্যে এসে এমনই এক বিতর্কিত মন্তব্য করে প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। আপামর বাঙালির আবেগ ও খাদ্যাভ্যাসে আঘাত হানার এই মন্তব্যের জেরে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই নিদানের তীব্র বিরোধিতা করে দূরত্ব স্পষ্ট করেন। এই ব্যাপক ডামাডোলের মাঝেই এবার সুদূর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে মুখ খুললেন ‘বাগেশ্বর বাবা’। তাঁর দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

গ্লাসগোতে তিনি বলেন, “পুজোয় আপনাদের আমিষ খেতে বারণ করার আমি কে? আপনারা তো আমাদেরই আপন।” নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী জানান, তিনি মূলত প্যান্ডেলের পবিত্রতার স্বার্থে এবং একজন ধার্মিক ব্যক্তি হিসেবে মণ্ডপের ভেতরে বা আশপাশে মাছ-মাংস খেতে বারণ করেছিলেন। তিনি কেবল চাননি যে পূজার পবিত্র আবহে মণ্ডপ চত্বরে আমিষ বিক্রি বা খাওয়া হোক। একই সঙ্গে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তাঁর পশু বলিপ্রথা একদমই ভালো লাগে না। কারও ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করে বাগেশ্বর বাবা বলেন, “সব জীবের বাঁচার অধিকার আছে। আমার বলিপ্রথা ভালো লাগে না। কিন্তু কারও খাদ্যাভাস বদলানোর আমি কে? আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কেউ তার বাড়িতে মাছ-মাংস খেতেই পারে, সেটা তার সিদ্ধান্ত। আমি

প্যান্ডেলে মাছ-মাংস খেতে বারণ করেছি।” এখানেই থামেননি তিনি। বলেছেন, “ভুল বুঝবেন না। আমিও বাঙালি, বিবেকানন্দ-রামকৃষ্ণের শিষ্য। আমি শুধু ধার্মিক হিসেবে মণ্ডপে মাছ-মাংস নিতে বারণ করেছি।”

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে হাওড়ার এক ধর্মীয় সভায় এই হিন্দিভাষী ধর্মগুরু দুর্গাপুজোয় আমিষভোজীদের ‘ভণ্ড’ বলে দেগে দিয়েছিলেন। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল। শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, অষ্টমীতে লুচি আর নবমীতে পাঁঠার মাংস বাঙালির চিরকালীন সংস্কৃতি, এতে নাক গলানোর অধিকার কারও নেই। কংগ্রেস এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে এবং কলকাতায় বাবার ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায়। ছবি পোড়ানোর দায়ে ইতিমধ্যেই এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।