বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

জমি দুর্নীতি মামলায় মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা হল অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জমি দুর্নীতি মামলায় মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা হল অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: জাল নথির মাধ্যমে সরকারি জমি রূপান্তর ও বেআইনিভাবে বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক (PA) সুমিত রায়কে শুক্রবার মেদিনীপুর জেলা আদালতে পেশ করল রাজ্য পুলিশের সিআইডি। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানা এলাকার এই বহুচর্চিত জমি দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ আইনি টানাপড়েনের পর, অবশেষে তাঁকে সিআইডি হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্টে সুমিতের আগাম জামিনের আবেদন ও রক্ষাকবচ খারিজ হয়ে যায়। শীর্ষ আদালতের সবুজ সংকেত মিলতেই কালবিলম্ব না করে দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে অভিষেকের কার্যালয় তথা বাসভবন থেকে সুমিতকে গ্রেফতার করে সিআইডি ও এসটিএফ-এর একটি যৌথ দল। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে আলিপুরের ভবানী ভবনে নিয়ে গিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ভবানী ভবন থেকে বের করে প্রথমে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সুমিতকে। সেখানে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরই সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে নিয়ে মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

তদন্তকারীদের দাবি, শালবনি এলাকায় প্রায় ৩০০ একর সরকারি জমির চরিত্র বদলে কোটি কোটি টাকায় তা বিক্রি করার ছক কষা হয়েছিল। এই চক্রের সঙ্গে বিপুল আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র মিলেছে, যার সুতো সুমিতের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। এর আগে এই মামলায় ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জেরা করেও সুমিতের নাম উঠে আসে। রাজ্য সরকারের পক্ষে আদালতে জানানো হয়, সুমিত রায়কে এর আগে একাধিকবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি তদন্তে চরম অসহযোগিতা করছিলেন। সেই কারণেই প্রকৃত সত্যি এবং এই বিপুল টাকার উৎস সন্ধান করতে সুমিতকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই হাইপ্রোফাইল মামলার জেরে শুক্রবার সকাল থেকেই মেদিনীপুর আদালত চত্বর জুড়ে ব্যাপক পুলিশি তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ে।