বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

এফআইআর খারিজের আবেদনে হাইকোর্টে অভিষেক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬
এফআইআর খারিজের আবেদনে হাইকোর্টে অভিষেক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর বাতিল করার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। গত ৫ মে নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছিল। বিধাননগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় এই বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই নির্দিষ্ট অভিযোগের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ের করা এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি গুরুতর ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারা, যা একটি জামিন যোগ্য ধারা। এই ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে দাঙ্গার উদ্দেশ্যে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে ১৯৬ ধারা, যা সম্পূর্ণ জামিন অযোগ্য। এই ধারার অভিযোগ হলো, তিনি বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন এবং সমাজে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন।মামলায় আরও কিছু কঠোর ধারা যুক্ত করা হয়েছে। যেমন ৩৫১/২ ধারা, যা একটি জামিন অযোগ্য অপরাধ। এর মাধ্যমে মানুষের মনে মৃত্যুর ভয় দেখানো এবং হুমকি দিয়ে সামাজিক সম্মান ও সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর সাথে ৩৫৩(১)(c) ধারা এবং জনপ্রতিধিত্ব আইনের ১২৩(২) ও ১২৫ ধারাও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এই সব কটি ধারার আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে এবং পুরো এফআইআরটি পুরোপুরি খারিজ করার আবেদন নিয়ে তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

তৃণমূল নেতার আইনজীবীদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং প্রচারের বক্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই মামলা করা হয়েছে। নির্বাচনের মরসুমে দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা সঠিক নয় বলেই তাঁরা মনে করছেন। কলকাতা হাইকোর্ট এই আবেদন গ্রহণ করেছে এবং খুব শীঘ্রই এই মামলার শুনানি হতে পারে। উচ্চ আদালত এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইনি স্বস্তি পান কিনা, সেদিকেই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের গভীর নজর রয়েছে।

আরও রাজ্য খবর