সঞ্চয়
সঞ্চয় কমছে, মধ্যবিত্তরা চিন্তায়
প্রকাশিত: ১১ মে, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: অনেকেই সঞ্চয় নিয়ে ভাবছেন। দেশের পরিবারগুলোর সঞ্চয়ের হার এখন জিডিপির মাত্র ছয় পার্সেন্টের কাছাকাছি। আগে ছিল দ্বিগুণের বেশি। কেন এমন হলো? দাম বাড়ছে, বেতন তেমন বাড়ছে না। লোন নিয়ে চলছে জীবন, সঞ্চয়ের নাম শুনলেই মাথা ঘোরে।
কলকাতার সল্টলেকের সুজন মুন্সি বলছেন, "মাসে দশ হাজার বাঁচানোর চেষ্টা করি। কিন্তু ইএমআই, বাচ্চার স্কুলফি, মায়ের ওষুধ—সব মিলিয়ে হাতে কিছু থাকে না।" এমন অনেকেই। আরবিআই বলছে, আগামী বছর সঞ্চয় একটু বাড়তে পারে। তবে দামের চাপ কমতে হবে।
সরকারি সঞ্চয়পত্রে সুদ একই রইল
বছর শুরুতে সরকার ঘোষণা করেছে—পিপিএফ-এ সাত দশমিক এক পার্সেন্ট, সুকন্যা সমৃদ্ধিতে আট দশমিক দুই পার্সেন্ট। বয়স্কদের জন্যও আট দশমিক দুই। ব্যাঙ্কের এফডির চেয়ে ভালো। এগুলো নিরাপদ, ট্যাক্স ছাড়ও পাওয়া যায়।
কয়েকটা ভালো স্কিম:
পিপিএফ: ১৫ বছর, ট্যাক্স ছাড়।
সুকন্যা: মেয়ের ভবিষ্যতের জন্য।
এনএসসি: পাঁচ বছরে ভালো সুদ।
কী করবেন আপনি?
প্রথমে একটা জরুরি তহবিল বানান—ছয় মাসের খরচের সমান। তারপর মাসের আয়ের ২০ পার্সেন্ট সঞ্চয় করুন। মাসে ৫০০০ টাকা দিয়ে ছোট থেকে শুরু করুন। সিপি মিউচুয়াল ফান্ডে রাখলে লাভ বেশি। অযথা খরচ কমান—ফুড ডেলিভারির বদলে বাড়িতে রান্না।
ফিনান্স বিশেষজ্ঞ বলছেন, "এখনই শুরু করুন। দেরি করলে পরে আফসোস হবে।" সরকারকেও বাজেটে সঞ্চয় বাড়ানোর উপর জোর দিতে হবে। না হলে সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ কঠিন হবে।

