বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
অফবিট

বাংলার গ্যাংস্টার

প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬
বাংলার গ্যাংস্টার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

 পর্ব - ২

 

বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলা গ্যাংস্টার পর্বগুলিতে আমরা শোনাচ্ছি হাড় হিম করা বিভিন্ন কাহিনী। 
আজ শোনাবো রাজু ঝাঁয়ের গল্প। ঠান্ডা মাথার গ্যাংষ্টার। খনি এলাকায় এক সময় তাঁর নামটাই যথেষ্ট ছিল।নিজে ময়দানে নেমে দাদাগিরি করেননি। পর্দার আড়াল থেকেই কাজ করতেন।তাঁর কাহিনী সিনেমার চিত্রনাট্যকে হার মানাবে। খনি অঞ্চলে 'বস' ছিলেন। এক সময় দুর্গাপুর থেকে আসানসোলে তাঁর শাসন ছিল। শূন্য থেকে শুরু করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠেন তিনি। 
অল্প বয়েস থেকেই হাত পাকান কয়লা চুরিতে। প্রথমে খাদান থেকে চুরি পরে নিজেই সিন্ডিকেট গড়ে অবৈধ খাদান চালাতে থাকেন। এমনটাই বলছিলেন খনি এলাকার বাসিন্দারা। 
রাজু বিহারের দ্বারভাঙা এলাকার আদি বাসিন্দা। পরবর্তীতে তিনি দুর্গাপুরে চলে আসেন। প্রথম জীবনে কয়লার ট্রাকের খালাসি ছিলেন তিনি। ২০১১ সালের আগে, খনি অঞ্চলে অবৈধ কয়লার কারবারে রাজুর নাম উঠে এসেছিল। 

২০০৬ সালে একবার পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছিলেন রাজু। কয়লা সংক্রান্ত নানা অভিযোগে ২০১১-এর ৩ জুলাই রাজুকে পুলিশ রানিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে।

২০০৬ সাল থেকে ধীরে ধীরে দুর্গাপুরে বিভিন্ন ব্যবসা শুরু করেন রাজু। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে তাঁর বিলাসবহুল রেস্তরাঁ, শাড়ির দোকান ছিল । এছাড়াও একটি নামী হোটেলের মালিক ছিলেন তিনি। পরে রাজনীতির ময়দানে নামেন। সব ঠিকই চলছিল। পরে তাঁর জীবনে নেমে আসে করুন পরিণতি। এক সন্ধ্যায় রাজু ঝা তাঁর দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিলেন। গাড়িতে রাজু ঝা ছিলেন চালকের পাশের আসনে। সঙ্গে ছিলেন ব্যবসায়ী তথা তাঁর সহকর্মী অণ্ডাল থানার দক্ষিণখণ্ডের এক বাসিন্দা। বর্ধমানে শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে রাজু ঝার গাড়িকে লক্ষ্য করে ফিল্মি কায়দায় গুলি চালানো হয়। পরপর গুলি লাগে বুকে। গাড়িতে থাকা তাঁর সহকর্মীর গুলি লাগে। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় রাজুর।