সুগার রোগীদের কি মুড়ি খাওয়া উচিত?
বাঙালী মুড়ি ছাড়া ভাবতেই পারেনা। দিনে একবার মুড়ি খান না এমন মানুষ খুব কম আছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর দৌলতে ঝালমুড়ি এখন ভুবন কাঁপাচ্ছে। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীরা কি মুড়ি খাবেন ?
বিখ্যাত চিকিৎসক তাঁর পেজে লিখেছেন, মুড়ি তৈরি হয় চাল থেকে। এটা ফাঁপা হালকা ওজনের, চালকে হিট দিয়ে তৈরি হয়। এটা গ্লুটেন ফ্রী, ভালো ডাইজেস্ট হয় আর ক্যালোরি কম থাকে। বাঙালী পৃথিবীর যেখানেই যায় সেখানেই মুড়ি খোঁজে।
মুড়ি সাইজে যতটা ফোলে তার তুলনায় ক্যালোরি কম থাকে। খাওয়ার পর পেট টা ভরে থাকে। সুতরাং ওজন কমানোর জন্য খারাপ অপশন নয়। ক্যালোরি মোটামুটি ৫৭ কিলোকালোরি প্রতি ২০ গ্রামে। ফ্যাট খুব কম থাকে। সহজে হজম হয়। সামান্য পরিমাণে আয়রন এবং ক্যালসিয়াম থাকে। ক্যালোরির পরিমাপে এটা যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য খারাপ অপশন নয়।
কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে মুড়ির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। ৮০-৯০। বেশ বেশী। আর এটা refined carbohydrate তাই খুব সহজে হজম হয় খুব তাড়াতাড়ি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। মানে বেশী সুগার স্পাইক করে। যা সুগারের রোগিদের জন্য ভালো নয়।
এখন প্রশ্ন টা হচ্ছে সুগারের রোগীরা কি মুড়ি খেতে পারবেনা? পারবেন কিন্তু পরিমাণ নিয়ে সচেতন হতে হবে। সারাদিনে একটা ছোট বাটির একবাটি মুড়ি খেতে পারেন। কখনই শুধু মুড়ি খাবেন না। সাথে চানা, শসা, পেয়াঁজ বা টমেটো দিয়ে খান। তাতে হজম ধীরে ধীরে হবে তাতে হঠাৎ করে সুগার বেড়ে যাবেনা।

