জেলা
পালাবদল হলেও মলানদিঘিতে অব্যাহত পরিষেবা
প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে গিয়েছে। ঘাসফুল শিবিরকে সরিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গের শাসনক্ষমতায় আসীন হয়েছে বিজেপি। এই বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানাবিধ ক্ষোভের খবর সামনে আসছে। অনেক জায়গাতেই সাধারণ মানুষ অভিযোগ করছেন যে তারা পঞ্চায়েতের নুন্যতম পরিষেবাটুকুও ঠিকমতো পাচ্ছেন না। রাজনৈতিক ডামাডোলে থমকে রয়েছে বহু সরকারি কাজ। কিন্তু এই চেনা ছবির একদম উল্টো পুরাণ দেখা গেল কাঁকসার মলানদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতে। সেখানে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে পঞ্চায়েতের পরিষেবা।
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর যেখানে বহু এলাকায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, সেখানে তৃণমূল পরিচালিত মলানদিঘি পঞ্চায়েতের চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। এই পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় ফল প্রকাশের পর প্রথম দিন থেকেই নিয়ম মেনে এলাকার মানুষকে সমস্ত রকম পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র, কাস্ট সার্টিফিকেট বা অন্যান্য জরুরি নথির জন্য গ্রামবাসীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। দল নির্বিশেষে সকলের কাজ করে দিচ্ছেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে উপ-প্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের ফল যাই হোক না কেন, সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়াই আমার প্রধান কর্তব্য। সেই দায়িত্ব থেকে আমি কোনোভাবেই সরে আসতে পারি না। আগামীদিনে রাজ্য সরকার যেমন নির্দেশ দেবে সেভাবেই কাজ করব। তাঁর এই মানবিক ও দায়িত্বশীল মনোভাবকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সকল স্তরের বাসিন্দারা।
সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যখন অনেক জায়গায় পঞ্চায়েত প্রধান বা উপ-প্রধানদের দেখা মিলছে না, তখন বিশ্বরূপবাবু ব্যতিক্রমী ভূমিকা নিয়েছেন। এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ সচল রাখা এবং মানুষের পাশে থাকার এই নজির কাঁকসার মলানদিঘি পঞ্চায়েতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। ক্ষমতার অলিন্দে পালাবদল ঘটলেও, মলানদিঘিতে কর্তব্যের কোনো বদল হয়নি।

