বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

কাঁকসার শিল্পতালুকে শ্রমিকের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের দাবি

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬
কাঁকসার শিল্পতালুকে শ্রমিকের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের দাবি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কাঁকসার গোপালপুর শিল্প তালুকের এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। মৃত যুবকের নাম শিবু বাউরী (২৭)। কাঁকসার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামুনাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি। কারখানায় ঠিকা শ্রমিক ছিলেন তিনি। 

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন শিবু। তখনই পাশে থাকা একটি ডাম্পারের টায়ার ব্লাস্ট করে। ছিটকে পাশের গর্তের ভেতর পড়ে যান তিনি। তখনই আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে বিধাননগরের একটি বেসরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলেছেন। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের দাবি করা হয়েছে। শ্রমিকের পরিবারের পাশে দাঁড়ায় ভারতীয় মজদুর সংঘ। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃন্ময় বন্দোপাধ্যায় বলেন, আগের সরকারের দুর্নীতির কারনে কারখানার ভিতরে যে নিরাপত্তা থাকার কথা তার কিছুই ছিল না। পিএফ, ইএসআই নেই। আমাদের দাবি ১৩ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও শ্মশান খরচ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। সঙ্গে পরিবারের একজনকে চাকরি দিতে হবে। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ তা মানতে চায়নি। আমরাও বলেছি দাবি পূরণ না হলে আমরা আইনের পথে যাব।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার সকালে কাঁকসার গোপালপুর এলাকায় অবস্থিত একটি ইস্পাত কারখানার দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন চারজন শ্রমিক। ফার্নেস ফেটে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বারবার কেন নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশপাশি কারখানায় কর্মরত অনেক শ্রমিকেরই ইএসআই এবং পিএফ-এর মতো মৌলিক সুবিধা নেই। ওই শিল্পতালুকে কর্মরত এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলছিলেন, বাইশ মাস ধরে পিএফ কাটা হচ্ছে। অথচ কোনো কাগজ দেওয়া হয়নি। তাঁদের পিএফ নেই তা তাঁরা পিএফ অফিসে গিয়ে জানতে পেরেছেন। এদিন মৃতের দাদা পরীক্ষিত বাউরির অভিযোগ, ভাইয়ের মৃত্যুর পর কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের তিন লক্ষ টাকা দিতে চাইছে। কিন্তু আমরা চাই না। আইন মেনে ক্ষতিপূরণ চাই। যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই বিষয়ে মুখ খোলেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।

আরও জেলা খবর