বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

দুর্গাপুরে ইস্পাত কারখানার ফার্নেস ফেটে আহত ৪ শ্রমিক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬
দুর্গাপুরে ইস্পাত কারখানার ফার্নেস ফেটে আহত ৪ শ্রমিক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ শুক্রবার সকালে কাঁকসার গোপালপুর এলাকায় অবস্থিত একটি ইস্পাত কারখানার দুর্ঘটনায় জখম হলেন চারজন শ্রমিক। জানা গিয়েছে, ফার্নেস ফেটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। চারজনের মধ্যে দু’জন শ্রমিকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ওই দুই শ্রমিক হলেন কারখানার ক্রেন চালক পরিমল বিশ্বাস ও নিরঞ্জন বাগদী। তাঁরা যথাক্রমে গোপালপুর এবং রূপগঞ্জের বাসিন্দা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলেছেন।

জানা গিয়েছে, প্রতিনের মতোই শুক্রবারও কারখানার ভিতর কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। আচমকা ৬টা২০ নাগাদ বিকট শব্দ করে ফার্নেসটি ফেটে যায়। ফার্নেস থেকে আগুনের তাপ ও গলিত পদার্থ ছিটকে পড়ে কর্মরত শ্রমিকদের শরীরে। ঘটনাস্থলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। জখম হন শ্রমিকরা। ঘটনার পরে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। তবে দ্রুত জখমদের উদ্ধার করে রাজবাঁধের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সেখান থেকে পরিমল ও নিরঞ্জনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই এখন চিকিৎসাধীন তাঁরা। 
এদিন দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্রমিকদের আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীরা হাসপাতালে পৌঁছান। দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হন শ্রমিকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, কারখানায় নিরাপত্তা নেই। নিয়ম মেনে সুরক্ষা সরঞ্জামও দেওয়া হয় না। কর্মরত অনেক শ্রমিককে ইএসআই এবং পিএফ-এর মতো মৌলিক সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে না। এদিন এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন, বাইশ মাস ধরে পিএফ কাটা হচ্ছে। অথচ কোনো কাগজ দেওয়া হয়নি। তাঁদের পিএফ নেই তা তাঁরা পিএফ অফিসে গিয়ে জানতে পেরেছেন বলে দাবি।  
ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপি দুর্গাপুর চার নম্বর মণ্ডলের সভাপতি শুভাশিস মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে আসেন। তিনি বলেন, আমরা খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে আসি। কারখানায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে অথচ সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। জখম শ্রমিকদের কাছে ইএসআই এবং পিএফ-এর মতো কোনো সামাজিক নিরাপত্তা নেই। কীভাবে ওই কারখানা চলছে? ওই কারখানা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। বিধায়ক সহ নেতৃত্বকে জানিয়েছি। যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই বিষয়ে মুখ খোলেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।

আরও জেলা খবর