বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

তৃণমূলকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম, বাম শিবিরে নতুন আশার আলো

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬
তৃণমূলকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম, বাম শিবিরে নতুন আশার আলো
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেতেই রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন চর্চা শুরু হয়েছে। এই ফলাফলে জয়ী বিজেপিকে নিয়ে যতটা আলোচনা হচ্ছে, তার চেয়েও অনেক বেশি চর্চা হচ্ছে সিপিএম-কে নিয়ে। গত কয়েকটি নির্বাচনে রাজ্যে বামেদের ভোটব্যাঙ্কে যে ধস নেমেছিল, ফলতার মাটি থেকে তা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে সিপিএমের বিধায়ক সংখ্যা মাত্র এক। এই পরিস্থিতিতে ফলতার উপনির্বাচনে বামেদের পারফরম্যান্স সবাইকে চমকে দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরকে পেছনে ফেলে এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী শক্তি বা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে সিপিএম। কাস্তে-হাতুড়ি-তারা চিহ্নের ঝুলিতে এসেছে ১৯ শতাংশের বেশি ভোট। দলের প্রার্থী শম্ভুনাথ কুড়মির পক্ষে ইভিএমে পড়েছে মোট ৪০,৪৬৫টি ভোট।
গত বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে ফলতায় বামেদের এই ভোটপ্রাপ্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভোটের এই পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বাম শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বুথ স্তরে কোণঠাসা হয়ে থাকা বাম কর্মীরা এই ফলাফলের পর নতুন করে ময়দানে নামার শক্তি পাচ্ছেন। দলের নেতাদের মতে, সাধারণ মানুষের একাংশ যে আবার বিকল্প হিসেবে বামেদের ওপর ভরসা রাখতে শুরু করেছেন, এই ভোট তারই প্রমাণ।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফলাফলের দুটি দিক রয়েছে। প্রথমত, বিজেপি এই কেন্দ্রে তাদের ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, যার সরাসরি সুবিধা পেয়েছে সিপিএম। দ্বিতীয়ত, শম্ভুনাথ কুড়মির পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং বামেদের লাগাতার জনসংযোগ সাধারণ ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। যুব ও সাধারণ ভোটারদের একাংশ তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে ছেড়ে বামেদের ভোট দিয়েছেন।
যদিও এই কেন্দ্র থেকে জয় আসেনি, তবুও চল্লিশ হাজারেরও বেশি ভোট পাওয়াকে নৈতিক জয় হিসেবেই দেখছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। এই ফল আগামী দিনে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তেও বাম কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বড় ভূমিকা নেবে। ফলতার এই ‘সেকেন্ড পজিশন’ আগামী পঞ্চায়েত বা পুরসভা নির্বাচনে বামেদের লড়াইয়ের জমি আরও শক্ত করল, তা বলাই বাহুল্য।

আরও জেলা খবর