বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

ইজরায়েলকে বিপুল শক্তিশালী বোমা দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন, তুঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ইজরায়েলকে বিপুল শক্তিশালী বোমা দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন, তুঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ফের একবার ইজরায়েলের হাতে ভয়ংকর শক্তিশালী অস্ত্র তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে হোয়াইট হাউস। মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় একক অস্ত্র চুক্তির মাধ্যমে তেল আভিভের হাতে দুই হাজার পাউন্ড ওজনের বিপুল পরিমাণ শক্তিশালী বোমা তুলে দিতে চলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এই চুক্তি সম্পন্ন হলে তা যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা।

আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের ফলে গাজা এবং লেবানন সীমান্তে চলা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আবহে নতুন করে ঘি পড়ল। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হাতকে আরও শক্ত করবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির বিষয়ে এখনও মুখ না খুললেও, হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলি জানাচ্ছে যে এই বিশাল অস্ত্র সম্ভার পাঠানোর প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। দুই হাজার পাউন্ডের এই বোমাগুলি অত্যন্ত বিধ্বংসী এবং এগুলো নিমেষের মধ্যে বড় বড় বাঙ্কার ও বহুতল গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম।
এর আগে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আমেরিকার অন্দরেই ইজরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বহু সেনেটর ও সাধারণ মানুষ। গাজায় সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় জো বাইডেনের সরকার কিছু বিধ্বংসী অস্ত্র পাঠানোর ক্ষেত্রে সাময়িক রাশ টেনেছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তেল আভিভকে নিঃশর্ত সামরিক সাহায্য দেওয়ার নীতিতে অবিচল রয়েছে।
আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াশিংটনের এই বিপুল অস্ত্র সাহায্য পাওয়ার পর ইজরায়েলের সামরিক আগ্রাসন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর জবাবে ইরান বা তার সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিও পাল্টা বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, যার ফলে গোটা পশ্চিম এশিয়া জুড়ে এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুদ্ধ থামানোর আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা যখন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে, তখন আমেরিকার এই বিপুল অস্ত্র চুক্তি শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও দূরে ঠেলে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আরও বিদেশ খবর